ছোট ব্যবসার জন্য সবচেয়ে সহজ শুরু হলো ক্যাশ অন ডেলিভারি আর বিকাশ/নগদ নম্বরে TrxID — কাগজপত্র লাগে না, আজই চালু করা যায়, শুধু প্রতিটি পেমেন্ট হাতে মেলাতে হয়। অর্ডার বাড়লে বা কার্ডে টাকা নিতে চাইলে SSLCommerz, ShurjoPay বা aamarPay-এর মতো অ্যাগ্রিগেটর নিন: এক সংযোগে কার্ড, বিকাশ, নগদ আর ব্যাংক — তবে ট্রেড লাইসেন্সসহ কাগজপত্র আর প্রতি লেনদেনে চার্জ লাগে। শুধু বিকাশ বা নগদে অনেক অর্ডার এলে তাদের নিজস্ব মার্চেন্ট গেটওয়েও ভালো বিকল্প। বাংলাদেশে পেমেন্ট গেটওয়ে বাছাইয়ে "সেরা" বলে কিছু নেই; আপনার অর্ডারের সংখ্যা আর গ্রাহক কীভাবে টাকা দেন, সেটাই আসল মাপকাঠি।
অনলাইন দোকান খোলার পর প্রায় সবারই একই প্রশ্ন: গ্রাহকের কাছ থেকে টাকা নেব কীভাবে? বাংলাদেশে পেমেন্ট গেটওয়ে নিয়ে খুঁজলে অনেক নাম পাওয়া যায়, প্রত্যেকেই নিজেকে সবচেয়ে সহজ বলে। এই লেখায় আমরা নামগুলোকে চারটি ধরনে ভাগ করে দেখাব — কোনটায় কী কাগজ লাগে, চার্জ কীভাবে কাটে, টাকা কবে আসে আর কোনটা আপনার এখনকার অবস্থার সাথে মেলে। আমরা কোনো প্রতিষ্ঠানকে র্যাঙ্ক করছি না; উদ্দেশ্য হলো আপনি যেন সঠিক প্রশ্ন নিয়ে তাদের কাছে যান।
তথ্যগুলো অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত। গেটওয়ের চার্জ, শর্ত আর সেবা প্রায়ই বদলায় — সিদ্ধান্তের আগে প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সর্বশেষ তথ্য লিখিতভাবে নিন।
এই লেখায় যা আছে
পেমেন্ট গেটওয়ে কী এবং কেন লাগে
পেমেন্ট গেটওয়ে হলো আপনার ওয়েবসাইট আর গ্রাহকের টাকার মাধ্যমের (কার্ড, বিকাশ, নগদ, ব্যাংক) মাঝখানের সেতু। গ্রাহক চেকআউটে "পরিশোধ করুন" চাপলে গেটওয়ের পেজ খোলে, সেখানে তিনি কার্ড বা ওয়ালেট দিয়ে টাকা দেন, আর গেটওয়ে আপনার সাইটকে জানিয়ে দেয় পেমেন্ট সফল হয়েছে কি না। পরে নির্দিষ্ট সময় পরপর জমা টাকা চার্জ কেটে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠায় — একে বলে সেটেলমেন্ট।
গেটওয়ে ছাড়াও অনলাইনে টাকা নেওয়া যায়: চেকআউটে আপনার বিকাশ বা নগদ নম্বর দেখান, গ্রাহক টাকা পাঠিয়ে লেনদেনের নম্বর (TrxID) লিখে দেন, আর আপনি নিজের অ্যাপে মিলিয়ে অর্ডার কনফার্ম করেন। পার্থক্য একটাই, কিন্তু বড় — গেটওয়েতে যাচাই হয় স্বয়ংক্রিয়ভাবে, নম্বর-পদ্ধতিতে হয় আপনার হাতে। দিনে পাঁচটা অর্ডারে হাতে মেলানো কোনো সমস্যা নয়; দিনে পঞ্চাশটায় সেটা একজন মানুষের পুরো কাজ হয়ে দাঁড়ায়।
তুলনা টেবিল: চারটি পথ এক নজরে

১. বিকাশ/নগদ নম্বর + TrxID
সবচেয়ে সহজ পথ। টাকা সাথে সাথে আপনার নম্বরে আসে, মাঝখানে কোনো গেটওয়ের চার্জ নেই (আপনার অ্যাকাউন্টের নিজস্ব নিয়ম ও ক্যাশ আউট খরচ প্রযোজ্য)। সীমা হলো, প্রতিটি পেমেন্ট হাতে মেলাতে হয়, আর ভুয়া স্ক্রিনশট দিয়ে প্রতারণার চেষ্টা থেকে সাবধান থাকতে হয়। কীভাবে নিরাপদে মেলাবেন, তা ধাপে ধাপে আছে TrxID মিলিয়ে অর্ডার কনফার্ম করার নিয়ম লেখায়।
২. বিকাশ বা নগদের নিজস্ব মার্চেন্ট গেটওয়ে
গ্রাহক চেকআউটে বিকাশ বা নগদ বাছেন, ওয়ালেট নম্বর, OTP আর PIN দিয়ে পরিশোধ করেন, আর পেমেন্ট নিজে থেকেই নিশ্চিত হয়। শুধু একটি ওয়ালেট কাভার করে, তাই যাঁদের প্রায় সব গ্রাহক একই মাধ্যমে টাকা দেন, তাঁদের জন্য এটা মানানসই। আবেদনে সাধারণত ট্রেড লাইসেন্স, মালিকের জাতীয় পরিচয়পত্র আর ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য লাগে। বিকাশে পার্সোনাল, মার্চেন্ট আর গেটওয়ের পার্থক্য বিস্তারিত আছে ওয়েবসাইটে বিকাশ পেমেন্ট নেওয়ার নিয়ম লেখায়।
৩. অ্যাগ্রিগেটর: SSLCommerz, ShurjoPay, aamarPay
অ্যাগ্রিগেটর একটি সংযোগেই অনেক মাধ্যম দেয়: ভিসা-মাস্টারকার্ডসহ দেশি-বিদেশি কার্ড, বিকাশ-নগদসহ মোবাইল ওয়ালেট আর ইন্টারনেট ব্যাংকিং। যাঁদের গ্রাহক নানাভাবে টাকা দিতে চান, তাঁদের জন্য এটাই সাধারণত সবচেয়ে কাজের পথ। কাগজপত্র মার্চেন্ট গেটওয়ের মতোই; চার্জ মাধ্যম অনুযায়ী আলাদা হতে পারে (কার্ডে এক হার, ওয়ালেটে আরেক), আর টাকা আসে চুক্তিতে লেখা সময়সূচি অনুযায়ী আপনার ব্যাংকে। তিনটির মধ্যে কোনটা ভালো, তা নির্ভর করে তাদের কাছ থেকে পাওয়া প্রস্তাব, সাপোর্ট আর আপনার প্ল্যাটফর্মের সাথে সংযোগ আছে কি না তার ওপর। SSLCommerz-এ আবেদনের ধাপগুলো আছে SSLCommerz মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলার নিয়ম লেখায়।
৪. আন্তর্জাতিক: Stripe ও PayPal
বিদেশি ক্রেতার কাছে বিক্রি করলে তাঁরা কার্ড বা PayPal-এ দিতে অভ্যস্ত। ওয়েবসাইটে Stripe বা PayPal যুক্ত করা যায়, কিন্তু টাকা যায় ব্যবসার নিজের অ্যাকাউন্টে; আর বাংলাদেশভিত্তিক ব্যবসা সেই অ্যাকাউন্ট খুলে টাকা নিতে পারবে কি না, তা প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের দেশভিত্তিক নিয়মের ওপর নির্ভর করে। আবেদনের আগে তাদের বর্তমান দেশ-তালিকা আর শর্ত দেখে নিন। দেশের ভেতরের ক্রেতার জন্য এগুলোর দরকার নেই।
ছোট ব্যবসার জন্য কোনটা সহজ
যদি আপনি সবে শুরু করেছেন, দিনে কয়েকটি অর্ডার আসে আর ট্রেড লাইসেন্স এখনও হাতে নেই — তাহলে গেটওয়ের জন্য অপেক্ষা করে বিক্রি থামিয়ে রাখার কারণ নেই। এভাবে শুরু করুন:
- ক্যাশ অন ডেলিভারি চালু রাখুন। বাংলাদেশে অনেক গ্রাহক এখনও পণ্য হাতে পেয়ে টাকা দিতে চান; শুরুতে এটা বন্ধ করলে অর্ডার কমতে পারে।
- বিকাশ ও নগদ নম্বর যোগ করুন। চেকআউটে নম্বর আর ছোট নির্দেশনা দিন, যেমন "টাকা পাঠিয়ে TrxID লিখুন"।
- ঢাকার বাইরে বা দামি পণ্যে আংশিক অগ্রিম নিন। অন্তত ডেলিভারি চার্জটা আগে নিলে ভুয়া অর্ডার আর ফেরত পার্সেল কমে।
- প্রতিদিন একবার হিসাব মেলান। "Paid" করা অর্ডার আর অ্যাপে আসা টাকা পাশাপাশি রেখে দেখুন — একই TrxID দুই অর্ডারে ব্যবহার হয়নি তো?
- সাথে সাথে কাগজপত্র গোছানো শুরু করুন। ট্রেড লাইসেন্স আর ব্যবসার নামে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকলে পরে গেটওয়েতে যাওয়া দ্রুত হয়।
ব্যক্তিগত নম্বর নয়, মার্চেন্ট নম্বর: নিয়মিত ব্যবসার টাকা ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে নিলে লেনদেনের সীমায় আটকে যেতে পারেন, আর এটা ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্যই তৈরি। বিকাশ ও নগদের মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টের নিয়ম তাদের কাছ থেকে জেনে নিন।
ব্যবসা বড় হলে কখন গেটওয়েতে যাবেন

নির্দিষ্ট কোনো অর্ডার-সংখ্যায় গেটওয়ে "বাধ্যতামূলক" হয় না। তবে নিচের লক্ষণগুলোর দুই-তিনটি মিলে গেলে আবেদন করার সময় হয়েছে:
- প্রতিদিন TrxID মেলাতে এক ঘণ্টার বেশি সময় যাচ্ছে, বা কর্মী রাখতে হচ্ছে।
- ভুল TrxID, কম টাকা পাঠানো বা ভুয়া স্ক্রিনশটের ঘটনা বাড়ছে।
- গ্রাহকেরা কার্ডে দিতে চাইছেন, বা অফিস-প্রতিষ্ঠান থেকে অর্ডার আসছে।
- রাতে বা ছুটির দিনে আসা অর্ডার সকাল পর্যন্ত আটকে থাকছে, কারণ কেউ পেমেন্ট দেখছে না।
- বিজ্ঞাপনে টাকা খরচ করছেন, আর চেকআউটে ঝামেলার কারণে ক্রেতা হারানোর ঝুঁকি নিতে চান না।
এই পর্যায়ে বেশিরভাগ দোকানের জন্য একটি অ্যাগ্রিগেটর সবচেয়ে বাস্তব পছন্দ, কারণ এক আবেদনে সব মাধ্যম পাওয়া যায়। গেটওয়ে চালু হওয়ার পরও কিছুদিন নম্বর-পদ্ধতি আর ক্যাশ অন ডেলিভারি পাশাপাশি রাখুন — পুরনো গ্রাহক নিজের অভ্যস্ত পথে দিতে পারবেন।
আবেদনের আগে যা গুছিয়ে রাখবেন
মার্চেন্ট গেটওয়ে বা অ্যাগ্রিগেটর — সবার কাগজের তালিকা প্রায় একই রকম। বর্তমান তালিকা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে নিন, তবে সাধারণত এগুলো চাওয়া হয়:
- হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স (ব্যবসার নাম ওয়েবসাইটের নামের সাথে মিললে ভালো)
- মালিক বা পরিচালকের জাতীয় পরিচয়পত্র ও ছবি
- সেটেলমেন্টের জন্য ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, সম্ভব হলে ব্যবসার নামে
- চালু ওয়েবসাইট: পণ্য, টাকায় দাম, যোগাযোগের ঠিকানা, রিফান্ড, প্রাইভেসি আর শর্তাবলির পেজ
- কখনও কখনও TIN বা প্রতিষ্ঠানের অন্য কাগজ
ওয়েবসাইটে নীতির পেজগুলো না থাকলে অনেক আবেদন সেখানেই আটকে যায়। ট্রেড লাইসেন্স কীভাবে করবেন, তা আছে অনলাইন ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স লেখায়।
চার্জ নিয়ে সতর্কতা
ব্লগ বা ফেসবুক গ্রুপে দেখা চার্জের হার দিয়ে হিসাব করবেন না — হার প্রতিষ্ঠান, ব্যবসার ধরন, বিক্রির পরিমাণ আর সময় অনুযায়ী বদলায়। তার বদলে প্রস্তাব হাতে পেলে এই প্রশ্নগুলোর লিখিত উত্তর নিন:
| যা জিজ্ঞেস করবেন | কেন জরুরি |
|---|---|
| প্রতি লেনদেনে কত শতাংশ, মাধ্যমভেদে আলাদা কি না | কার্ড আর ওয়ালেটের হার অনেক সময় আলাদা হয় |
| সেটআপ, বার্ষিক বা মাসিক কোনো ফি আছে কি না | কম বিক্রির মাসেও এই খরচ থাকে |
| টাকা কত দিনে ব্যাংকে আসে | নতুন স্টক কেনার নগদ টাকা এর ওপর নির্ভর করে |
| রিফান্ড করলে চার্জ ফেরত আসে কি না | ফেরত বেশি হলে খরচ বাড়ে |
| চার্জব্যাক (গ্রাহক কার্ড কোম্পানিতে আপত্তি করলে) কীভাবে সামলায় | বিতর্কিত পেমেন্টের দায় কার, তা আগে জানা দরকার |
হিসাবটা সহজ রাখুন: প্রতি ১ শতাংশ চার্জ মানে ৳১,০০০ বিক্রিতে ৳১০। চুক্তির হার জানলে সেটা পণ্যের দামে বা ডেলিভারি চার্জে আগে থেকেই ধরে রাখুন, যাতে অনলাইনে পেমেন্ট নিলে লাভ কমে না যায়। অনেক বিক্রেতা আবার অনলাইনে অগ্রিম দিলে ছোট ছাড় দেন, কারণ তাতে ফেরত পার্সেলের ঝুঁকি কমে — সেটা আপনার হিসাবে লাভজনক কি না, মিলিয়ে দেখুন।
কোনো প্রতিনিধি ফোনে আপনার PIN, OTP বা গেটওয়ের পাসওয়ার্ড চাইলে দেবেন না। আসল প্রতিষ্ঠান এগুলো কখনও ফোনে চায় না।
Metanoz-এ কোন পেমেন্ট পদ্ধতি আছে
Metanoz-এর অনলাইন দোকানে (Business প্ল্যান থেকে) Admin → Settings → Payment method পেজ থেকে এগুলো চালু করা যায়:
- বিকাশ ও নগদ নম্বর + TrxID: টাকা সরাসরি আপনার নম্বরে যায়, Metanoz কোনো কমিশন নেয় না। ধাপগুলো আছে বিকাশ-নগদ পেমেন্টের হেল্প গাইডে।
- ক্যাশ অন ডেলিভারি: একই পেজ থেকে।
- নিজের SSLCommerz অ্যাকাউন্ট: Store ID আর Store Password দিলে সংযোগ সাথে সাথে পরীক্ষা হয়; প্রতিটি পেমেন্ট সার্ভার থেকে যাচাইয়ের পরই অর্ডার "Paid" হয়। দেখুন SSLCommerz সংযোগের গাইড।
- Stripe ও PayPal: বিদেশি ক্রেতার জন্য আন্তর্জাতিক পেমেন্ট অ্যাপ (Business প্ল্যান থেকে), টাকা যায় আপনার নিজের Stripe বা PayPal অ্যাকাউন্টে। সেই অ্যাকাউন্ট খোলা যাবে কি না, তা Stripe ও PayPal-এর দেশভিত্তিক নিয়মে ঠিক হয়।

একটি বিষয় জেনে রাখুন: অক্টোবর ২০২৬-এ Metanoz-এর পেমেন্ট অপশনগুলো হলো বিকাশ-নগদ নম্বর (TrxID), ক্যাশ অন ডেলিভারি, SSLCommerz আর Stripe/PayPal। ShurjoPay, aamarPay বা বিকাশ-নগদের নিজস্ব গেটওয়ে API এই তালিকায় নেই, তাই দেশের ভেতরে স্বয়ংক্রিয় পেমেন্টের জন্য এখানে SSLCommerz ব্যবহার হয়। আগে থেকে অন্য গেটওয়ের অ্যাকাউন্ট থাকলে সিদ্ধান্তের আগে Metanoz টিমকে জিজ্ঞেস করুন। অনলাইন দোকানের অন্য সুবিধাগুলো দেখতে পারেন ফিচার পেজে।
এখন কী করবেন
আজকের জন্য: ক্যাশ অন ডেলিভারি আর বিকাশ-নগদ নম্বর দিয়ে বিক্রি শুরু করুন, প্রতিদিন হিসাব মেলান। এই মাসের জন্য: ট্রেড লাইসেন্স, ব্যবসার নামে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আর ওয়েবসাইটের নীতির পেজগুলো তৈরি করুন। অর্ডার বাড়লে: দুটি অ্যাগ্রিগেটরের কাছ থেকে লিখিত প্রস্তাব নিয়ে চার্জ, সেটেলমেন্টের সময় আর সাপোর্ট মিলিয়ে একটি বেছে নিন। ইংরেজিতে একই বিষয়ের তুলনা পড়তে চাইলে দেখুন Payment gateways in Bangladesh compared।
নিজের ওয়েবসাইট আজই শুরু করুন
টেমপ্লেট বেছে নিন, নাম দিন — বাকিটা Metanoz সাজিয়ে দেবে। ৭ দিন বিনামূল্যে, কার্ড লাগবে না।
বিনামূল্যে শুরু করুনটেমপ্লেট দেখুনসচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
বাংলাদেশে কোন পেমেন্ট গেটওয়ে সবচেয়ে ভালো?
সবার জন্য একটি "সেরা" নেই। নানা মাধ্যমে টাকা নিতে চাইলে SSLCommerz, ShurjoPay বা aamarPay-এর মতো অ্যাগ্রিগেটর; প্রায় সব গ্রাহক একই ওয়ালেটে দিলে সেই ওয়ালেটের মার্চেন্ট গেটওয়ে। দুই-তিনটি প্রতিষ্ঠানের লিখিত প্রস্তাব মিলিয়ে সিদ্ধান্ত নিন।
ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া কি পেমেন্ট গেটওয়ে পাওয়া যায়?
সাধারণত না। মার্চেন্ট গেটওয়ে আর অ্যাগ্রিগেটর প্রায় সবাই ট্রেড লাইসেন্স চায়। লাইসেন্স হওয়া পর্যন্ত বিকাশ-নগদ নম্বরে TrxID আর ক্যাশ অন ডেলিভারি দিয়ে বিক্রি চালানো যায়।
পেমেন্ট গেটওয়ের চার্জ কত?
প্রতি সফল লেনদেনে একটা শতাংশ, যা প্রতিষ্ঠান, মাধ্যম আর চুক্তি অনুযায়ী আলাদা এবং সময়ের সাথে বদলায়। কোনো সেটআপ বা বার্ষিক ফি আছে কি না, সেটাও লিখিতভাবে জেনে নিন।
গেটওয়ের টাকা কবে আমার ব্যাংকে আসে?
চুক্তিতে লেখা সময়সূচি অনুযায়ী, সাধারণত কয়েক কার্যদিবস পরপর। আবেদনের সময় সেটেলমেন্টের নিয়মটা অবশ্যই জিজ্ঞেস করুন, কারণ আপনার নগদ প্রবাহ এর ওপর নির্ভর করে।
গেটওয়ে নিলে কি ক্যাশ অন ডেলিভারি বন্ধ করতে হবে?
না। বেশিরভাগ দোকান দুটোই রাখে। গ্রাহক যে পথে দিতে স্বচ্ছন্দ, সেই পথ খোলা রাখলে অর্ডার কম হারায়।
Metanoz কি পেমেন্টে কমিশন নেয়?
না। বিকাশ-নগদ নম্বরে টাকা সরাসরি আপনার কাছে যায়। SSLCommerz ব্যবহার করলে শুধু আপনার সাথে SSLCommerz-এর চুক্তির চার্জ প্রযোজ্য।
bKash Payment Gateway Integration for Your Website: Options, Papers and Steps
ওয়েবসাইটে বিকাশ পেমেন্ট নেওয়ার নিয়ম: পার্সোনাল, মার্চেন্ট নাকি গেটওয়ে?
How to Open a bKash Merchant Account for an Online Shop