অনলাইন ব্যবসার আয়ও সাধারণ আয়ের মতো করের আওতায় পড়ে। নতুন উদ্যোক্তার জন্য সাধারণ ক্রম হলো: প্রথমে বিনামূল্যে অনলাইনে ই-টিআইএন নিন, তারপর প্রতি বছর আয়কর রিটার্ন দিন (আয় করমুক্ত সীমা ছাড়ালে, বা কোনো সেবায় রিটার্নের প্রমাণ লাগলে), আর অনলাইন ব্যবসার ভ্যাট নিবন্ধন (BIN) নিন যখন বিক্রি নির্ধারিত সীমা ছাড়ায় বা কোনো প্রতিষ্ঠান তা চায়। সবচেয়ে জরুরি কাজটা প্রথম দিন থেকেই শুরু করা যায়: প্রতি মাসের বিক্রি, খরচ আর পেমেন্টের পরিষ্কার হিসাব রাখা।
ফেসবুক পেজ বা ওয়েবসাইটে বিক্রি শুরু করার কয়েক মাস পর অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে — "আমার কি কর দিতে হবে? ভ্যাট কি লাগবে? কেউ কি ধরবে?" ভয় পাওয়ার কিছু নেই, আবার বিষয়টা এড়িয়ে যাওয়াও ঠিক নয়। পেমেন্ট গেটওয়ে খোলা, ব্যাংক ঋণ নেওয়া, ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন কিংবা বড় কোনো প্রতিষ্ঠানে পণ্য সরবরাহ — অনেক জায়গাতেই TIN বা রিটার্নের প্রমাণ চাওয়া হয়। এই গাইডে অনলাইন ব্যবসার ভ্যাট আর আয়করের মূল বিষয়গুলো সহজ ভাষায় সাজানো হয়েছে, যাতে আপনি বুঝতে পারেন কোনটা এখনই করবেন আর কোনটার জন্য পরামর্শক লাগবে।
এই লেখা সাধারণ তথ্যের জন্য, আইনি বা কর পরামর্শ নয়। করমুক্ত আয়সীমা, ভ্যাটের সীমা, হার আর ফর্ম প্রতি বছরের বাজেটে বদলাতে পারে। সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR) সর্বশেষ নিয়ম দেখে নিন বা একজন আয়কর আইনজীবী / ভ্যাট পরামর্শকের সাথে কথা বলুন। তথ্য অক্টোবর ২০২৬ অনুযায়ী।
এই লেখায় যা আছে
ই-টিআইএন: করদাতা হিসেবে আপনার নম্বর
TIN মানে Taxpayer's Identification Number — জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাছে আপনার করদাতা পরিচয়। এখন এটা অনলাইনে নেওয়া হয় বলে একে ই-টিআইএন বলে। অনলাইন ব্যবসা যদি আপনার নিজের নামে চলে (একক মালিকানা), তাহলে আলাদা "ব্যবসার TIN" লাগে না; আপনার ব্যক্তিগত ই-টিআইএনই ব্যবহার হয়। কোম্পানি বা অংশীদারি প্রতিষ্ঠান হলে প্রতিষ্ঠানের নামে আলাদা TIN হয়।
কীভাবে নেবেন
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অফিসিয়াল ই-টিআইএন সাইটে নিজের মোবাইল নম্বর দিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য দিলেই সাধারণত কয়েক মিনিটে সার্টিফিকেট পাওয়া যায়। সরকারি সাইটে এর জন্য কোনো ফি নেই। কেউ টাকা নিয়ে "TIN করে দেব" বললে বুঝবেন তিনি শুধু নিজের সময়ের দাম নিচ্ছেন — কাজটা আপনি নিজেই পারবেন।

টিপ: আয়ের উৎস বাছাইয়ের সময় "ব্যবসা" বেছে নিন, আর পরিচয়পত্রের সাথে নামের বানান হুবহু মিলিয়ে দিন। পরে ব্যাংক, পেমেন্ট গেটওয়ে বা লাইসেন্সের কাগজে নাম না মিললে অযথা ঝামেলা হয়।
TIN কোথায় কাজে লাগে
- প্রতি বছর আয়কর রিটার্ন দেওয়া।
- অনেক এলাকায় ট্রেড লাইসেন্স নেওয়া বা নবায়ন — কোন কাগজ লাগে তা আমাদের অনলাইন ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স গাইডে আছে।
- ব্যাংকে চলতি হিসাব খোলা বা ঋণ নেওয়া।
- কার্ড পেমেন্টের মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট বা বড় প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি — কোন প্রতিষ্ঠান কী চায়, তাদের কাছ থেকে জেনে নিন।
আয়কর রিটার্ন: বছরে একবার আয়ের হিসাব
TIN থাকলেই কাজ শেষ নয়। বছরের আয় করমুক্ত সীমা ছাড়ালে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক; আবার কিছু নির্দিষ্ট সেবা (যেমন কিছু লাইসেন্স বা ব্যাংক ঋণ) নিতে গেলে রিটার্ন জমার প্রমাণ লাগে বলে আয় কম হলেও রিটার্ন দিতে হয়। কোন কোন ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক, তার তালিকা আইনে আছে আর সময়ে সময়ে বদলায়। বাংলাদেশে আয়বর্ষ ধরা হয় জুলাই থেকে জুন, আর রিটার্ন জমার সাধারণ শেষ তারিখ হলো ৩০ নভেম্বর (কর দিবস)। তবে সময়সীমা কখনো কখনো বাড়ানো হয়, তাই প্রতি বছর NBR-এর ঘোষণা দেখে নিন।
অনলাইন ব্যবসার আয় কীভাবে দেখাবেন
ব্যবসার আয় মানে মোট বিক্রি নয়, বিক্রি থেকে খরচ বাদ দিয়ে যা থাকে। যেমন:
- বিক্রি: ওয়েবসাইট, ফেসবুক, অফলাইন — সব জায়গার মোট বিক্রি, ফেরত বাদ দিয়ে।
- খরচ: পণ্য কেনা, প্যাকেজিং, কুরিয়ার চার্জ, বিজ্ঞাপন, ওয়েবসাইটের খরচ, কর্মচারীর বেতন, দোকানভাড়া।
- লাভ: বিক্রি − খরচ। রিটার্নে ব্যবসার আয় হিসেবে এটাই যায়, অন্য আয়ের (চাকরি, ভাড়া) সাথে যোগ হয়ে।
করমুক্ত আয়সীমা আর করের হার প্রতি বছরের বাজেটে ঠিক হয়, আর নারী, প্রবীণ বা প্রতিবন্ধী করদাতাদের জন্য সীমা আলাদা হতে পারে। তাই অন্যের মুখে শোনা পুরনো অঙ্কের ওপর ভরসা না করে সেই বছরের সীমা দেখে নিন। সাধারণ ক্ষেত্রে ব্যক্তি করদাতারা NBR-এর ই-রিটার্ন ব্যবস্থায় অনলাইনে নিজেই রিটার্ন জমা দিতে পারেন, আর জমার প্রমাণ (PSR বা প্রাপ্তিস্বীকারপত্র) সংরক্ষণ করতে পারেন — এটাও অনেক সেবায় চাওয়া হয়।
অনলাইন ব্যবসার ভ্যাট কখন লাগে
ভ্যাট আয়কর থেকে আলাদা। আয়কর হয় আপনার লাভের ওপর; ভ্যাট হয় বিক্রির ওপর, যা আসলে ক্রেতার কাছ থেকে আদায় করে সরকারকে জমা দেওয়ার কথা। বাংলাদেশে ভ্যাট চলে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ অনুযায়ী, আর নিবন্ধন হয় অনলাইনে — নিবন্ধনের পর যে নম্বর পান তাকে BIN (Business Identification Number) বলে।
সাধারণ নিয়মটা কেমন
- বার্ষিক বিক্রি (টার্নওভার) ছোট হলে: সাধারণত ভ্যাট নিবন্ধন বাধ্যতামূলক নয়।
- মাঝারি পরিসরে: টার্নওভার করের তালিকাভুক্তি — কম হারে, সহজ নিয়মে।
- নির্ধারিত সীমা ছাড়ালে: পূর্ণ ভ্যাট নিবন্ধন, প্রতি মাসে রিটার্ন, চালান আর হিসাবের খাতা।
এই সীমাগুলো টাকার অঙ্কে বাজেটে বদলায়, আর কিছু পণ্য ও সেবার ক্ষেত্রে বিক্রি যত কমই হোক নিবন্ধন লাগতে পারে। অনলাইন বিক্রির ক্ষেত্রে কিছু বিশেষ নিয়মও সময়ে সময়ে এসেছে। তাই আপনার পণ্য আর বিক্রির পরিমাণ নিয়ে একবার ভ্যাট পরামর্শক বা স্থানীয় ভ্যাট অফিসে জেনে নেওয়াই নিরাপদ।

খেয়াল রাখুন: ভ্যাট নিবন্ধন থাকলে প্রতি মাসে রিটার্ন দিতে হয় — বিক্রি না থাকলেও "শূন্য রিটার্ন"। নিবন্ধন নিয়ে রিটার্ন না দিলে জরিমানা হতে পারে। তাই নিবন্ধন নেওয়ার আগে নিশ্চিত হোন, কে প্রতি মাসে এই কাজটা করবে।
সারা বছর হিসাব রাখার সহজ নিয়ম
কর আর ভ্যাটের ঝামেলার বেশিরভাগই আসে হিসাব না থাকার কারণে। বছর শেষে বিকাশের মেসেজ ঘেঁটে বিক্রি বের করা প্রায় অসম্ভব। নিচের অভ্যাসগুলো প্রথম মাস থেকেই শুরু করুন:
- ব্যবসা আর সংসারের টাকা আলাদা করুন। সম্ভব হলে ব্যবসার জন্য আলাদা বিকাশ/নগদ নম্বর আর আলাদা ব্যাংক হিসাব রাখুন।
- প্রতিটি বিক্রির রেকর্ড রাখুন। ইনবক্সের অর্ডারও একটি তালিকায় তুলুন: তারিখ, ক্রেতা, পণ্য, দাম, পেমেন্টের ধরন।
- কুরিয়ারের COD হিসাব মেলান। কুরিয়ার কত টাকা পাঠাল, কত চার্জ কাটল, কোন পার্সেল ফেরত এল — প্রতি সপ্তাহে মিলিয়ে নিন।
- খরচের রসিদ জমিয়ে রাখুন। পণ্য কেনা, প্যাকেজিং, বিজ্ঞাপনের বিল — ছবি তুলে একটি ফোল্ডারে রাখলেও চলে।
- মাসের শেষে এক পাতার সারাংশ লিখুন। মোট বিক্রি, মোট খরচ, লাভ। বারো মাসের এই বারোটি পাতা দিয়েই রিটার্নের বড় অংশ তৈরি হয়ে যায়।

ছোট একটি উদাহরণ
ধরা যাক, একজন উদ্যোক্তা ঘরে বসে হাতে বানানো গয়না বিক্রি করেন। এক মাসে তাঁর বিক্রি হলো আনুমানিক ৳৮০,০০০, ফেরত এল ৳৫,০০০-এর পণ্য। পণ্যের কাঁচামাল ৳৩০,০০০, প্যাকেজিং ৳৩,০০০, ফেসবুক বিজ্ঞাপন ৳১০,০০০, কুরিয়ার চার্জ ৳৬,০০০। তাহলে সেই মাসের লাভ দাঁড়ায় প্রায় ৳২৬,০০০। এভাবে বারো মাসের লাভ যোগ করলেই বছরের ব্যবসার আয় পাওয়া যায় — রিটার্নে এই সংখ্যাটাই লাগে, মোট বিক্রির ৳৮০,০০০ নয়। (একটি কাল্পনিক উদাহরণ, শুধু হিসাবের ধরন বোঝানোর জন্য।)
নতুন উদ্যোক্তাদের সাধারণ ভুল
- "অনলাইন ব্যবসায় কর লাগে না" ভাবা। আয়ের উৎস অনলাইন না অফলাইন, তাতে করের নিয়ম বদলায় না।
- মোট বিক্রিকে আয় ধরা। এতে কাগজে আয় অনেক বেশি দেখায়। খরচের প্রমাণ রাখলে প্রকৃত লাভ দেখানো যায়।
- বাধ্যতামূলক হয়েও রিটার্ন না দেওয়া। আয় সীমা ছাড়ালে বা শর্ত পূরণ হলে রিটার্ন না দেওয়ার জন্য জরিমানা হতে পারে।
- প্রয়োজন ছাড়া তাড়াহুড়ো করে ভ্যাট নিবন্ধন। এরপর প্রতি মাসে রিটার্নের দায়িত্ব আসে। কখন লাগবে তা আগে বুঝে নিন।
- অন্যের পুরনো তথ্যে ভরসা। সীমা আর হার বাজেটে বদলায়; প্রতি বছর নতুন করে দেখে নিন।
ট্রেড লাইসেন্স, ই-ক্যাব, DBID থেকে ভ্যাট পর্যন্ত সব কাগজের পূর্ণ তালিকা দেখতে পড়ুন অনলাইন ব্যবসার আইনি কাগজপত্র গাইড, আর ডিজিটাল ব্যবসার পরিচয় নম্বর নিয়ে বিস্তারিত আছে DBID নিবন্ধনের নিয়ম লেখায়।
পরামর্শক কখন নেবেন
সব কাজের জন্য পরামর্শক লাগে না। ই-টিআইএন নেওয়া আর সাধারণ একটি রিটার্ন নিজেই করা যায়। তবে এই অবস্থাগুলোতে একজন আয়কর আইনজীবী বা ভ্যাট পরামর্শকের সাহায্য নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ:
- বিক্রি দ্রুত বাড়ছে আর বুঝতে পারছেন না ভ্যাটের কোন স্তরে পড়বেন।
- অংশীদারি বা কোম্পানি করে ব্যবসা চালাচ্ছেন।
- পণ্য আমদানি করছেন বা বিদেশে বিক্রি করছেন।
- কর অফিস থেকে কোনো নোটিশ পেয়েছেন।
- কর্মচারী আছেন, বেতন ও উৎসে কর কাটার প্রশ্ন আসছে।
পরামর্শকের ফি কাজের ধরন অনুযায়ী আলাদা, তাই কাজ শুরুর আগে কী করে দেবেন আর কত নেবেন তা লিখিতভাবে ঠিক করে নিন।
ওয়েবসাইট কীভাবে হিসাব সহজ করে
ইনবক্সে অর্ডার নিলে প্রতিটি বিক্রি আলাদা করে লিখে রাখতে হয়। ওয়েবসাইটে অর্ডার এলে তারিখ, পণ্য, দাম আর পেমেন্টের ধরন নিজে থেকেই এক তালিকায় জমা হয়, যা বছর শেষে হিসাবের সবচেয়ে বড় সাহায্য। Metanoz-এ যেমন Business প্ল্যান থেকে কয়েকটি অ্যাপ এই কাজে লাগে:
- Accounting: অনলাইন অর্ডার, দোকানের বিক্রি আর নিজের খরচ এক খাতায়; মাসিক লাভ-ক্ষতি, নগদ বনাম বাকি আর ভ্যাটের হিসাব।
- Tax & VAT: আপনার ভ্যাট/করের হার, ব্যবসার কর নম্বর আর মাসিক কর রিপোর্ট (CSV) এক জায়গায়।
- Invoices & Quotes: নম্বরসহ ইনভয়েস আর কোটেশন, যা বড় ক্রেতা প্রায়ই চান।
তবে মনে রাখবেন, সফটওয়্যার হিসাব গুছিয়ে দেয়, কিন্তু রিটার্নে কী দেখাবেন বা ভ্যাট কোন হারে প্রযোজ্য — সেই সিদ্ধান্ত আইন আর আপনার পরামর্শকের। অর্ডার, পেমেন্ট আর বিক্রির খুঁটিনাটি জানতে বিক্রি নিয়ে Help Center-এর লেখাগুলো দেখুন।
এখন কী করবেন
আজই তিনটি কাজ করতে পারেন: ই-টিআইএন না থাকলে নিয়ে নিন, ব্যবসার লেনদেনের জন্য আলাদা নম্বর বা হিসাব ঠিক করুন, আর এই মাস থেকে মাসিক এক পাতার হিসাব রাখা শুরু করুন। ভ্যাটের প্রশ্ন উঠলে বিক্রির পরিমাণ নিয়ে একজন পরামর্শকের সাথে বসুন। আর যদি এখনও ইনবক্সে অর্ডার নিয়ে খাতায় লিখছেন, তাহলে একটি অনলাইন দোকান বানিয়ে নিন — প্রতিটি অর্ডার নিজে থেকেই হিসাবের তালিকায় উঠবে। কোন ধরনের দোকান আপনার জন্য মানানসই, তা দেখতে অনলাইন দোকানের টেমপ্লেট ঘুরে দেখুন।
নিজের ওয়েবসাইট আজই শুরু করুন
টেমপ্লেট বেছে নিন, নাম দিন — বাকিটা Metanoz সাজিয়ে দেবে। ৭ দিন বিনামূল্যে, কার্ড লাগবে না।
বিনামূল্যে শুরু করুনটেমপ্লেট দেখুনসচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
ফেসবুকে বিক্রি করলে কি আয়কর দিতে হয়?
আয়ের উৎস যা-ই হোক, করের নিয়ম একই। বছরে আপনার মোট আয় করমুক্ত সীমা ছাড়ালে কর দিতে হয়, আর কোনো সেবায় রিটার্নের প্রমাণ লাগলে আয় কম হলেও রিটার্ন দিতে হয়। সেই বছরের সীমা NBR-এর ঘোষণায় দেখে নিন।
ই-টিআইএন নিতে কি টাকা লাগে?
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অফিসিয়াল সাইটে ই-টিআইএন নিবন্ধন বিনামূল্যে। মোবাইল নম্বর আর জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য দিয়ে নিজেই নিতে পারেন।
অনলাইন ব্যবসার জন্য কি আলাদা TIN লাগে?
একক মালিকানার ব্যবসায় সাধারণত আপনার ব্যক্তিগত ই-টিআইএনই ব্যবহার হয়। অংশীদারি প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি হলে প্রতিষ্ঠানের নামে আলাদা TIN লাগে।
ছোট অনলাইন দোকানের কি ভ্যাট নিবন্ধন লাগবে?
বার্ষিক বিক্রি নির্ধারিত সীমার নিচে হলে সাধারণত বাধ্যতামূলক নয়, তবে কিছু পণ্য বা সেবায় আলাদা নিয়ম আছে আর সীমা বাজেটে বদলায়। নিশ্চিত হতে ভ্যাট অফিস বা পরামর্শকের কাছে জেনে নিন।
রিটার্ন জমার শেষ তারিখ কবে?
ব্যক্তি করদাতার জন্য সাধারণ শেষ তারিখ ৩০ নভেম্বর (কর দিবস)। কোনো কোনো বছর সময় বাড়ানো হয়, তাই প্রতি বছর NBR-এর ঘোষণা দেখে নিন।
Metanoz কি আমার রিটার্ন বা ভ্যাট রিটার্ন জমা দিয়ে দেবে?
না। Metanoz-এর Accounting আর Tax & VAT অ্যাপ বিক্রি, খরচ আর ভ্যাটের হিসাব গুছিয়ে রিপোর্ট দেয়, কিন্তু রিটার্ন জমা দেওয়ার কাজ আপনার বা আপনার পরামর্শকের।
অনলাইন ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স ও ই-ক্যাব সদস্যপদ: কী লাগে, কীভাবে করবেন
E-commerce Rules in Bangladesh: What Online Sellers Must Know
ভোক্তা অধিকার আর অনলাইন বিক্রেতা: যে নিয়মগুলো জানা জরুরি