গুগল ম্যাপে দোকান যুক্ত করতে বিনামূল্যের Google Business Profile খুলুন: Google অ্যাকাউন্টে লগইন করে ব্যবসার আসল নাম, ক্যাটাগরি, ঠিকানা (বা সেবার এলাকা), ফোন আর ওয়েবসাইট দিন, তারপর Google যে পদ্ধতিতে বলে (প্রায়ই দোকানের ছোট ভিডিও) যাচাই করুন। যাচাইয়ের পর খোলার সময়, ছবি, সেবা আর বিবরণ পূরণ করুন, আর সন্তুষ্ট গ্রাহকদের রিভিউ দিতে বলুন। যাচাই সাধারণত কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ লাগতে পারে।
কেউ ফোনে "কাছে ফার্মেসি", "মিরপুরে কেকের দোকান" বা "ডেন্টিস্ট" লিখে খুঁজলে গুগল প্রথমেই একটা ম্যাপ আর তার নিচে কয়েকটি ব্যবসার নাম দেখায় — সাথে কল করার বোতাম, পথনির্দেশ আর রিভিউ। আপনার দোকান সেখানে না থাকলে সেই গ্রাহক পাশের দোকানে চলে যান। এই লেখায় দেখাব গুগল ম্যাপে দোকান যুক্ত করার পুরো নিয়ম: প্রোফাইল খোলা, যাচাই, সাজানো, রিভিউ সামলানো আর নিজের ওয়েবসাইটের সাথে যুক্ত করা।
তথ্য অক্টোবর ২০২৬ অনুযায়ী। Google সময়ে সময়ে প্রোফাইলের ধাপ, যাচাইয়ের পদ্ধতি আর নিয়ম বদলায় — কোনো ধাপ আলাদা দেখালে Google-এর নির্দেশনাই মানুন।
এই লেখায় যা আছে
Google Business Profile কী
Google Business Profile (আগে নাম ছিল Google My Business, অনেকে এখনো "গুগল মাই বিজনেস" বলেন) হলো গুগল সার্চ আর গুগল ম্যাপে আপনার ব্যবসার বিনামূল্যের পরিচয়পত্র। এতে থাকে নাম, ঠিকানা, ম্যাপে অবস্থান, ফোন, খোলার সময়, ছবি, রিভিউ আর ওয়েবসাইটের লিংক। গ্রাহক সার্চ থেকেই কল করতে, পথ দেখতে বা ওয়েবসাইটে যেতে পারেন।
কারা খুলতে পারেন
Google-এর নিয়ম অনুযায়ী প্রোফাইল তাদের জন্য, যারা খোলার সময়ে গ্রাহকের সাথে সামনাসামনি দেখা করেন:
- দোকান বা অফিস আছে এমন ব্যবসা: রেস্টুরেন্ট, ফার্মেসি, সেলুন, ক্লিনিক, কোচিং, শোরুম। এদের ঠিকানা ম্যাপে দেখায়।
- গ্রাহকের কাছে গিয়ে সেবা দেয় এমন ব্যবসা: এসি মেরামত, ইলেকট্রিশিয়ান, হোম ডেলিভারি রান্না। এরা ঠিকানা লুকিয়ে শুধু সেবার এলাকা দেখাতে পারেন।
শুধু অনলাইন ব্যবসা হলে: যার কোনো দোকান নেই আর গ্রাহকের সাথে সামনাসামনি দেখাও হয় না — যেমন শুধু ফেসবুক বা ওয়েবসাইটে বিক্রি, কুরিয়ারে পাঠানো — সাধারণত Business Profile-এর যোগ্য নয়। ভুয়া ঠিকানা দিলে প্রোফাইল বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এমন ব্যবসার জন্য ওয়েবসাইটের SEO-ই আসল পথ; দেখুন SEO-র পূর্ণ বাংলা গাইড।
গুগল ম্যাপে দোকান যুক্ত করার ধাপ
কম্পিউটার বা ফোন — দুই জায়গা থেকেই করা যায়। কম্পিউটারে ব্রাউজারে google.com/business খুলে Google Business Profile-এর অফিসিয়াল পেজে যান; ফোনে Google Maps অ্যাপ খুলে প্রোফাইল ছবিতে চাপ দিলে "আপনার ব্যবসা যোগ করুন" ধরনের অপশন পাবেন।

- Google অ্যাকাউন্টে লগইন করুন। ব্যবসার কাজে যে Gmail নিয়মিত দেখেন সেটা ব্যবহার করুন। কর্মচারী বা ডিজাইনারের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে খুলবেন না — পরে মালিকানা নিয়ে ঝামেলা হয়।
- ব্যবসার নাম লিখুন। সাইনবোর্ডে, ভিজিটিং কার্ডে যে নাম, ঠিক সেটাই। নামের সাথে "সেরা", "সস্তা" বা এলাকার নাম জুড়ে দেবেন না — এটা Google-এর নিয়মবিরুদ্ধ, প্রোফাইল স্থগিত হতে পারে। লেখার আগে খুঁজে দেখুন আপনার দোকান আগে থেকেই ম্যাপে আছে কি না; থাকলে নতুন না খুলে সেটার মালিকানা দাবি করুন।
- ক্যাটাগরি বাছুন। আপনার কাজের সাথে সবচেয়ে মিলে যায় এমন প্রধান ক্যাটাগরি দিন, যেমন "বেকারি", "ফার্মেসি", "ডেন্টাল ক্লিনিক"। পরে কয়েকটি অতিরিক্ত ক্যাটাগরি যোগ করা যায়।
- ঠিকানা বা সেবার এলাকা দিন। দোকান থাকলে পূর্ণ ঠিকানা লিখে ম্যাপে পিন ঠিক জায়গায় বসান — বাংলাদেশে অনেক ঠিকানায় পিন ভুল জায়গায় পড়ে, তাই নিজে টেনে মিলিয়ে নিন। বাসায় গিয়ে সেবা দিলে ঠিকানা লুকিয়ে সেবার এলাকা (যেমন "ঢাকা", "চট্টগ্রাম") বেছে নিন।
- ফোন আর ওয়েবসাইট দিন। যে নম্বর খোলার সময়ে সত্যিই ধরা হয়, সেটা দিন। ওয়েবসাইট থাকলে তার লিংক দিন।
- যাচাইয়ের ধাপে যান। পরের অংশে বিস্তারিত।
যাচাই
যাচাই মানে Google নিশ্চিত হয় যে ব্যবসাটা সত্যিই আছে আর আপনিই এর মালিক বা দায়িত্বপ্রাপ্ত। যাচাই না হলে প্রোফাইল ম্যাপে ঠিকমতো দেখায় না, আর অনেক কিছু বদলানো যায় না। কোন পদ্ধতি পাবেন, তা Google ব্যবসার ধরন আর এলাকা দেখে ঠিক করে; আপনি বেছে নিতে পারেন না।
| পদ্ধতি | কী করতে হয় |
|---|---|
| ভিডিও রেকর্ডিং | ফোনে একটানা ছোট ভিডিও: বাইরে থেকে সাইনবোর্ড ও আশপাশ, তারপর ভেতরে কাজের জায়গা, আর মালিকানার প্রমাণ (যেমন ক্যাশ কাউন্টার বা দোকানের চাবি দিয়ে তালা খোলা) |
| লাইভ ভিডিও কল | Google-এর প্রতিনিধির সাথে ভিডিও কলে একই জিনিস দেখানো |
| ফোন বা SMS | প্রোফাইলের নম্বরে আসা কোড বসানো |
| ইমেইল | ইমেইলে আসা কোড বা লিংক |
| ডাকযোগে কার্ড | ঠিকানায় আসা কার্ডের কোড বসানো |
ভিডিও যাচাইয়ে যা খেয়াল রাখবেন
- দিনের আলোয়, দোকান খোলা অবস্থায় রেকর্ড করুন; সাইনবোর্ডের নাম যেন স্পষ্ট পড়া যায়।
- রাস্তার নাম, পাশের পরিচিত দোকান বা চিহ্ন দেখান, যাতে ম্যাপের অবস্থানের সাথে মেলে।
- ভিডিও না কেটে একটানা রাখুন।
- সাইনবোর্ড না থাকলে আগে একটা স্থায়ী সাইনবোর্ড লাগান — অনেক যাচাই এখানেই আটকে যায়।
জমা দেওয়ার পর পর্যালোচনায় কয়েক দিন লাগতে পারে, কখনো আরও বেশি। এই সময়ে নাম বা ঠিকানা বারবার বদলাবেন না; তাতে পর্যালোচনা আবার শুরু হতে পারে।
প্রোফাইল সাজানো
যাচাই হয়ে গেলে আসল কাজ শুরু। একই এলাকার কয়েকটি দোকানের মধ্যে গ্রাহক সাধারণত সেটাই বেছে নেন, যার প্রোফাইলে খোলার সময়, ছবি আর রিভিউ পরিষ্কার।

- খোলার সময়: সাপ্তাহিক সময় ঠিকঠাক দিন, আর ঈদ, পূজা বা অন্য ছুটিতে "বিশেষ সময়" আলাদা করে দিন। বন্ধ দোকানে গিয়ে ফেরা গ্রাহক খারাপ রিভিউ দেন।
- ছবি: দোকানের বাইরের ছবি (যাতে চিনে আসতে পারেন), ভেতরের ছবি, পণ্য বা খাবারের ছবি, আর লোগো। মাঝে মাঝে নতুন ছবি যোগ করুন।
- পণ্য বা সেবা: প্রধান সেবাগুলো নাম আর ছোট বিবরণসহ লিখুন; দাম স্থির হলে দাম দিন।
- বিবরণ: কী করেন, কোথায়, কাদের জন্য — সহজ ভাষায়, বাংলা বা ইংরেজিতে। মানুষ যে শব্দে খোঁজেন সেগুলো স্বাভাবিকভাবে রাখুন, শব্দের তালিকা নয়। কোন শব্দে খোঁজা হয় তা বের করার উপায় আছে বাংলা কিওয়ার্ড রিসার্চ লেখায়।
- আপডেট পোস্ট: নতুন পণ্য, অফার বা ছুটির খবর প্রোফাইলে পোস্ট করা যায়। নিয়মিত পোস্ট প্রোফাইলকে জীবন্ত দেখায়।
রিভিউ
রিভিউ দেখে নতুন গ্রাহক সিদ্ধান্ত নেন, আর লোকাল সার্চে রিভিউ গুরুত্বপূর্ণ বলে Google নিজেই জানায়। কিন্তু রিভিউ আসে চাইলে।
- রিভিউয়ের লিংক নিন। প্রোফাইল থেকে "রিভিউ চাওয়া" বা শেয়ারের অপশনে একটা সরাসরি লিংক পাওয়া যায়।
- সঠিক সময়ে চান। পণ্য হাতে পাওয়ার পর, সেবা শেষে, বা খাওয়া শেষে বিল দেওয়ার সময় — খুশি গ্রাহককে লিংকটা WhatsApp বা SMS-এ পাঠান। কাউন্টারে লিংকের QR কোড রাখতে পারেন।
- প্রতিটি রিভিউয়ের উত্তর দিন। ভালো রিভিউতে ধন্যবাদ; খারাপ রিভিউতে রাগ না করে সমস্যা স্বীকার করুন আর সমাধানের পথ বলুন। আপনার উত্তর পরের গ্রাহকেরাও পড়েন।
যা কখনো করবেন না: টাকা বা ছাড়ের বিনিময়ে রিভিউ নেওয়া, নিজে বা কর্মচারী দিয়ে ভুয়া রিভিউ লেখানো, বা রিভিউ কেনা — সবই Google-এর নিয়মবিরুদ্ধ। এতে রিভিউ মুছে যেতে পারে, প্রোফাইলে সতর্কবার্তা বা স্থগিতাদেশ আসতে পারে।
ওয়েবসাইটের সাথে যুক্ত করা
Business Profile আর ওয়েবসাইট একে অপরকে শক্তি দেয়। প্রোফাইল কাছের গ্রাহক আনে; ওয়েবসাইটে তাঁরা পুরো মেনু, সেবার তালিকা, দাম আর বুকিং বা অর্ডারের সুযোগ পান।
- একই নাম, ঠিকানা, ফোন: প্রোফাইল, ওয়েবসাইট আর ফেসবুক পেজে ব্যবসার নাম, ঠিকানা আর ফোন নম্বর হুবহু এক রাখুন। এতে গুগল বুঝতে পারে সব একই ব্যবসার তথ্য।
- ওয়েবসাইটে ম্যাপের লিংক: যোগাযোগ পেজে ঠিকানার পাশে "গুগল ম্যাপে দেখুন" লিংক দিন, যাতে গ্রাহক এক চাপে পথ পান।
- ঠিক পেজের লিংক: প্রোফাইলের ওয়েবসাইট লিংক হোমপেজে দিন। কিছু ক্যাটাগরিতে (যেমন রেস্টুরেন্ট) মেনু বা বুকিংয়ের আলাদা লিংক দেওয়ার জায়গা থাকে — সেখানে সরাসরি মেনু বা বুকিং পেজ দিন।
- ফল মাপুন: প্রোফাইলের Performance অংশে দেখা যায় কতজন কল করলেন, পথ খুঁজলেন বা ওয়েবসাইটে গেলেন। ওয়েবসাইটে Google Analytics বসানো থাকলে প্রোফাইল থেকে আসা ভিজিটরদের আচরণও দেখা যায়; কীভাবে বসাবেন তা আছে Analytics ও Pixel যুক্ত করার হেল্প গাইডে।

নিজের এলাকার গ্রাহকের কাছে পৌঁছানোর পুরো কৌশল — এলাকাভিত্তিক পেজ, স্থানীয় ডিরেক্টরি, রিভিউ — আছে লোকাল SEO গাইডে। আর ওয়েবসাইট গুগলের প্রথম পাতায় আনার অন্য উপায়গুলো দেখুন গুগলের প্রথম পাতায় আনার ১০টি বাস্তব উপায় লেখায়।
সাধারণ ভুল
- একই দোকানের দুটি প্রোফাইল: আগে কেউ খুলে রাখলে নতুন না খুলে মালিকানা দাবি করুন; দুটি থাকলে রিভিউ ভাগ হয়ে যায়।
- নামে বাড়তি শব্দ: "রহিম ফার্মেসি - ধানমন্ডির সেরা ওষুধের দোকান" ধরনের নাম নিয়মবিরুদ্ধ।
- পুরনো সময় আর নম্বর: নম্বর বদলালে বা সময় বদলালে সাথে সাথে প্রোফাইলেও বদলান।
- পিন ভুল জায়গায়: গ্রাহক অন্য গলিতে গিয়ে ঘুরে মরেন, আর বিরক্ত হয়ে ফোন করেন বা ফিরে যান।
- রিভিউর উত্তর না দেওয়া: বিশেষ করে খারাপ রিভিউ উত্তরহীন পড়ে থাকলে নতুন গ্রাহক সেটাকেই সত্যি ধরেন।
- প্রোফাইলের লিংক শুধু ফেসবুকে: নিজের ওয়েবসাইট থাকলে সেটা দিন; সেখানে পুরো তথ্য আর অর্ডারের সুযোগ থাকে।
এখন কী করবেন
আজই Google Maps-এ নিজের দোকানের নাম লিখে খুঁজে দেখুন — আগে থেকে আছে কি না। না থাকলে ওপরের ধাপ ধরে প্রোফাইল খুলুন, যাচাইয়ের জন্য সাইনবোর্ড আর আলো ঠিক রাখুন। যাচাই হলে চেকলিস্ট ধরে প্রোফাইল পূরণ করুন আর প্রথম দশজন সন্তুষ্ট গ্রাহককে রিভিউয়ের লিংক পাঠান।
প্রোফাইলের ওয়েবসাইট লিংকে দেওয়ার মতো সাইট না থাকলে, Metanoz-এ রেস্টুরেন্ট, ক্লিনিক, দোকানসহ নানা ব্যবসার টেমপ্লেট দিয়ে শুরু করতে পারেন। প্রতিটি পেজের শিরোনাম-বিবরণ, সাইটম্যাপ আর SEO অডিটের টুল সব প্ল্যানেই আছে — কীভাবে ব্যবহার করবেন দেখুন SEO বেসিকসের হেল্প গাইডে। অ্যাডমিনের Metanoz AI বাংলায় বললে ব্লগ পোস্ট লিখে দেয় আর পেজের শিরোনাম ঠিক করে; বিস্তারিত AI ফিচার পেজে। তবে মনে রাখবেন, Business Profile খোলা আর যাচাইয়ের কাজটা Google-এ আপনাকেই করতে হবে — কোনো ওয়েবসাইট বিল্ডার সেটা আপনার হয়ে করতে পারে না। English-এ একই বিষয়ে পড়তে চাইলে দেখুন Google Business Profile for Bangladeshi Businesses।
নিজের ওয়েবসাইট আজই শুরু করুন
টেমপ্লেট বেছে নিন, নাম দিন — বাকিটা Metanoz সাজিয়ে দেবে। ৭ দিন বিনামূল্যে, কার্ড লাগবে না।
বিনামূল্যে শুরু করুনটেমপ্লেট দেখুনসচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
গুগল ম্যাপে দোকান যুক্ত করতে কি টাকা লাগে?
না, Google Business Profile বিনামূল্যে। কেউ টাকা নিয়ে "ম্যাপে তুলে দেওয়া" বা "রিভিউ বাড়ানো"র প্রস্তাব দিলে সাবধান থাকুন — কাজটা নিজেই করা যায়, আর ভুয়া রিভিউ নিয়মবিরুদ্ধ।
যাচাই হতে কত দিন লাগে?
পদ্ধতি আর পর্যালোচনার চাপের ওপর নির্ভর করে; কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ লাগতে পারে। এই সময়ে নাম, ঠিকানা বা ক্যাটাগরি বারবার বদলাবেন না।
দোকান না থাকলে কি গুগল ম্যাপে ব্যবসা যুক্ত করা যায়?
গ্রাহকের বাসায় গিয়ে সেবা দিলে ঠিকানা লুকিয়ে সেবার এলাকা দেখিয়ে প্রোফাইল খোলা যায়। কিন্তু শুধু অনলাইনে বিক্রি করে কুরিয়ারে পাঠালে সাধারণত যোগ্য নয়; সেক্ষেত্রে ওয়েবসাইটের SEO-তে মন দিন।
বাসার ঠিকানা দিলে কি সবাই দেখতে পাবে?
সেবার এলাকার ব্যবসা হিসেবে খুললে ঠিকানা লুকিয়ে রাখা যায়; যাচাইয়ের জন্য Google ঠিকানা জানলেও প্রোফাইলে শুধু এলাকা দেখায়। গ্রাহক যদি আপনার জায়গায় আসেন, তাহলে ঠিকানা দেখানোই নিয়ম।
প্রোফাইলে কি বাংলায় লেখা যায়?
হ্যাঁ, বিবরণ, সেবা আর পোস্ট বাংলায় লেখা যায়। ব্যবসার নাম সাইনবোর্ডে যেভাবে লেখা, সেভাবেই রাখুন।
খারাপ রিভিউ কি মুছে ফেলা যায়?
শুধু অপছন্দের কারণে মোছা যায় না। রিভিউ যদি ভুয়া, গালিগালাজপূর্ণ বা নিয়মবিরুদ্ধ হয়, প্রোফাইল থেকে রিপোর্ট করা যায়। বাকি ক্ষেত্রে ভদ্র, সমাধানমুখী উত্তর দেওয়াই সবচেয়ে ভালো পথ।
গুগলের প্রথম পাতায় ওয়েবসাইট আনার ১০টি বাস্তব উপায় (ছোট ব্যবসার জন্য)
Google Business Profile for Bangladeshi Businesses: Setup and Tips
Bangla SEO: How to Rank for Bangla, English and Banglish Searches